বুধবার, ২২ আগস্ট, ২০১২

Past form of Communication VS Present form

For past few years, the communication system has changed dramatically. The main reason behind this phenomenon is revolution of modern communication devices, which we know as the named Mobile phone. It has brought the world into our thumb. One can transfer one's opinion via this device throughout the world within few minutes, which needed in past more than a year. It is now possible only for mobile Internet. Because for the last 13 years a revolution has been in here. In the year of 2005 Bangladesh, first launch her mobile Internet, which commenced by Grameen Phone. However, many parts of the world were already used to with Internet on that time. However, Bangladesh was new. Whatever from that times the world was abolishing the method of old system of communication gradually. The result of it is today. Now our new generation does not have the real experience of old method of communication. As far as I know now a day’s school going children also used to with mobile Internet. Who knows what is coming on future. In a survey, we found in Bangladesh average user of Facebook who are under 13 is 22%-23%. Therefore, it is a clear evidence of revolution, which mentioned at the top. The new methods of communication have some great advantages for what it has taken adorably. 

These are given below:
1.      It takes less time.
2.      It spread out the message within few second into the world.
3.      Consumption of money is fewer that old form of communication.
4.      Too much easy to use.
5.      Comparably suitable for many users.
6.      Gives a clear statement of transfer to the users.
Along with the given advantages, the main would be, this method takes less time. Although it has some great-advantages, it has some complexities too. In my opinion, the modern system has less emotion than it was in before. I could still remember that my Grandfather when he was in London sent me a latter at least in a month. Those letters was full of complement. I was accustomed to wait for the letter. When I found them my mind got a joy of glimmer. As I know the wants of human being is infinitive. In these wants which he gets without any weary effort becomes vapid later. However, it is my personal opinion but I think it is true. On that time the letter was full of greetings from top to end. This gave us joy. But today the communication system method has become too much brief and contains less greetings than before. I think it is one of reasons behind making us emotionless day by day. Without emotions human becomes brutal and loses their sense of right and wrong. The day is not so far when we used letter for communication. In letter one expresses opinion from one's bottom heart. That is why it is full of emotion.  Therefore, expression brings too much complement to the user. But the main disadvantage is old system is it takes too much time which we do not want.  

On above which I expressed is my personal opinion only. But I do not blame modern communication method. Because upgrade of technologies occurs only for the wants of human beings which gives pleasure to mankind. But misuse of technologies is not expected from a good one. So technology will be upgrade day by day and we should not use it like this, which takes out emotion from us. History is our pride. So we should not deride our history. By doing this we can learn from history.



©ELH
22-08-12

শুক্রবার, ১৭ আগস্ট, ২০১২

কিছুদিন যাবৎ ফেসবুকে দেয়া আমার কিছু স্টেটাস সমূহ।

মুখে পুরো আস্ত একটা রণতরীর সাথে একাই ঘায়েল করা যায়। কিন্তু বাস্তব অস্বীকার করার কোন উপায় নেই। অর্থাৎ ময়দানে যে যুদ্ধ করে সেই যোদ্ধ। ঠিক আমার বন্ধু তালিকায় থাকা কয়েকজন এমনই ভাব ধরে যে তারা ভারত নামক বেইমান দেশটির আচরন একদম সহ্য করতে পারেনা। কিন্তু এই মানুষগুলোকে গভীরভাবে কিছুদিন পর্যবেক্ষনে রাখার পরে একটা আজব জিনিস লক্ষ করলাম। এদের ফেসবুক স্টেটাসগুলোতে ব্যাপক মাত্রায় ভারতপ্রীতি দেখা যাচ্ছে। যেমনঃ একজন ইন্ডিয়ান আইডলের শিল্পীদের আবেগে কেমন আবেগতাড়িত হয়েছে, কোন হিন্দি ছিনেমা আজকে রিলিজ পেয়েছে, অলিম্পিকে কোন ভারতীয় কোন পুরুষ্কার পেয়েছে তার খবর ইত্যাদি।
অনেকের মতে এগুলো হচ্ছে নিত্যদিনের বিনোদনের খবর। কিন্তু আমি বলি এদের মাঝে ভয়ঙ্কর ভারতপ্রীতি এরা সব সময় সুপ্ত রাখতে পারেনা। তারই বহিপ্রকাশ তাদের এই সমস্ত লেখা। আরবীতে এই সকল লোকজনকে মোনাফেক বলে। আর বাংলায় বলে বেইমান। আর ১৯৭১ সালের ভাষা অনুযায়ী এরা নব্য রাজাকার। এই সকল রাজাকার ৭১-এর চাইতেও ভয়ানক বেশী।

(বি:দ্র: কেউ আমার লেখাকে ব্যাক্তি আক্রমন বললে ভুল সিদ্ধান্ত নিবেন। কারন সত্য বলতে কষ্ট পাইনি।)
 
 
ইন্ডিয়া আমাদের বন্ধু দেশ। দেখেন এই বেইমান গুলার কাজ কারবার। এই লিংকে বাংলাদেশের পক্ষে একটা কথা ভাল থাকলে নিজেকে অপরাধী বলে দাবি করব। আমাদের দেশের বিপক্ষে জাল বুনার একটি নমুনা।
http://www.timesofassam.com/
category/international/
 
আসলেই আমাদের দেশে আগে সমস্যা হয় তারপর সমাধান হয় না বরং সমাধানের পথ খোজাঁর চেষ্টা করা হয়। তারপর সেই সমস্যা থেকে আগত উপসমস্যার যে সকল প্রতিরোধমুলক পদক্ষেপ গ্রহন করা হয় সেগুলো বাস্তবায়ন করতে করতে অনেক সময় অতিবাহিত হয়ে যায়। এতে করে শাসক শ্রেণীনামক ইতর প্রানীদের লাভ ঠিকই হয় কিন্তু ব্যপক ক্ষতি হয় যারা এই দেশের মালিক অর্থাৎ জনগন। ঠিক এমনই একটি পদক্ষেপ যাকে পাগলের কর্মকান্ড না বললে ভুল হবে তা হলো মেডিকেল ভর্তি বিষয়ে বাতুলের মত সিদ্ধান্ত নেওয়া। আসলেই এতদিন আমাদের জনদুর্ভোগ দিয়ে কষ্ট দিয়েছে এখন চিকিৎসাক্ষেত্র ধ্বংশ করার মহৎ পরিকল্পনার অংশ হলো এই ইতরামীয় সিদ্ধান্ত। কারন এতে করে অখাদ্য+কুখাদ্য সব ঢুকার স্বাধীনতা পাবে। এদের মতই অযোগ্য হবে আমাদের চিকিৎসাক্ষাত। আমার মনে হয় এটা ভিশন ২০২১ এরই অংশ। মাঝে মাঝে মন চায় সালার স্বাধীনতার চাইতে পরাধীনতাই শ্রেয় ছিল কারন তাতে অন্যকে দোষারোপ করার মানসিক শান্তি পাওয়া যেত। কিন্তু এখন কাকে কি বলব! চেয়ারে বসলেই সব শালারা চোরের মুখোশ খুলে দেয়। ধন্যবাদ।
 
 
প্রচন্ডভাবে ‍এক অনুভূতি তাড়া করে বেরাচ্ছে মনে হয়। বিশ্বাস আমার সাথে ছলনা করছে মনে হয়। একদম একটি অনু যায়গাতে তোমাকে পাথর চাপা দিয়ে রেখেছিলাম। অনন্ত সময় ধরে পাথরের নিচে পিষ্ট আমার ধারনা শেষ হয়ে গিয়েছিলে তুমি। আজ হঠাৎ করেই কে যেন পাথর সরাতে উন্মাদের মত হয়ে আবার আমার আবেগকে আলোরিত করলে তুমি। এই সুপ্ত তোমার এই অসুরি শক্তি কোথা হতে এল! সারাটি সময় আবার আগের মতই একসাথে কাটালাম আমরা। কত হাসি আর কত আনন্দে ছিলাম এই সময়গুলো। আমি যেন আবার এক পরিবর্তিত অতিতে ফিরে গেছি। পরিবর্তন হয়ে গিয়েছে শুধু আগের কান্নাগুলো। তার সৃত্মিও এখন মনে পরছে না। যেন এক বাস্তব অবাস্তবের আলো আধারের ধাঁধায় পরেছিলাম। পরিবর্তনগুলো মস্তিস্কে টোকা দিয়েছিল ঠিকই কিন্তু সুখগুলোর সাথে পেরে উঠেনি। হঠাৎ আচমকা ঘুম ভেঙ্গে গেল। সব কিছু বুঝতে খানিকটা সময় নিল। বুঝলাম সবই। শুধু সপ্নময় তুমি আর বাস্তব তুমি মাঝে এক তফাৎ রয়ে গেল। এই প্রথম বাস্তবকে অস্বীকার করতে চাইছি প্রবল ভাবে। মনে হচ্ছে আবার সেই সপ্নটার কাছে ফিরে যাই। মানুষ হওয়াতে আটকা পরে রইলাম আমি। আবার এক বিসাল পাথর চাপায় পরে রইলে তুমি।
 
কিছু কিছু লোক। তাদের অদ্ভুদ আচরন দেখলে খুব খারাপ লাগে। এই সম্প্রদায়ের লোকজন সাধারনত সরকারী দলের হয়ে থাকে। তোষামোদি করে ফায়দা লুটাই এদের স্বভাবের অন্যতম বিশেষ দিক। যেহেতু আওয়ামিলীগ এখন ক্ষমতায় তাই স্বাভাবিক ভাবেই এখন এই পক্ষকে নিয়েই এদের মাতামাতি। এমনি এক ব্লগারকে আমি দেখেছি। নাম বলব না। এই লোকের সরকারের প্রতি আমি উদারতা দেখে খুবই মর্মাহত। এই লোক তার এক লেখায় বলেছেন স্বাধীনতার পক্ষে হচ্ছে আওয়ামিলীগ এবং বাকি সবাই স্বাধীনতা বিরোধি।সত্যিই সেলুকাস এমন চামচামি! এখন কথা হচ্ছে বর্তমানের সরকারের কর্মকান্ড দেখে আমার আসলে স্বাধীনতার সংজ্ঞা নিয়ে সংশয় আসছে। আসলেই এরা্ যদি এখন স্বাধীনতার পক্ষে হয় তবে এটা কোন স্বাধীনতা? এত বির্সজন দিয়ে এই দেশ কেনা হয়েছে কিন্তু দুটি রাজনৈতিক দলের কাছে আমরা কেন তবে পরাজিত হচ্ছি বারবার? আসলে আমরা রাজনৈতিকদের কাছে পরাজিত হচ্ছি না বরং পরাজিত হচ্ছি বারবার এই সব সুবিধাবাদী লোকদের কাছে যারা নিজের স্বার্থে সবার স্বার্থ বির্সজন দিয়ে যাচ্ছে।
ধন্যবাদ।
  
 
 
 

সোমবার, ১৮ জুন, ২০১২

ও রাস্তা তোর ক্ষুদা কত? ভাইয়াটাকে আমার বাঁচিয়ে রাখলে কি ক্ষতি তোর হত?

ইদানীং সড়ক দুর্ঘটনা ব্যপারটা এতই সাধারন একটা বিষয় হয়ে দড়িয়েছিল যে পত্রপত্রিকায় নিয়মিত এ সংক্রান্ত খবর পড়তে পড়তে এক রকমের অভ্যস্ত হয়ে গিয়েছিলাম। আর প্রকৃতির নিয়মেই যত রকমের সব ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনার খবরও আমার আবেগকে তাড়িত করতে পারত না। এই ক্ষেত্রে পুরোদমে আবেগহীন হওয়ার প্রধান কারন হয়তোবা এর নিয়মিত ঘটে যাওয়াই দায়ী। আর একটা সময় মনে হতে লাগল এ্টা একটা সাধারন ব্যপার মাত্র। এটা হর হামেশাই হচ্ছে আর এভাবে হতেই থাকবে আমারতো এখানে মাথা ব্যাথা না দেখালেও চলবে। কিন্তু ঠিক স্বার্থপরের মত কখনো ভাবিনি যেই পরিবারের এই ক্ষতি হয় তাদের ভেতরকার অবস্থা তখন কেমন থাকে। আর এর জন্যই হয়তো বিধাতা আমাকে উপযুক্ত শাস্তি ‍দিয়ে দিয়েছেন। আমার পরিবারের একজন আর আামার জীবনের সব চাইতে কাছের মানুষ অর্থাৎ আমার বড় ভাইটা কদিন আগের সড়ক দুর্ঘটনায় না হারালে হয়তো এমন স্বার্থপরই থাকতে হত আমাকে। তাই আজ হারে হারে বুঝতে পারছি সেই সব লোকদের কষ্ট যারা স্বজন হারিয়েছিল সড়ক দুর্ঘটনায়।

আমার ভাইয়ার সাথে আমার বয়সের পার্থক্য ছিল প্রায় দেড় বসরের। তাই একরকমের বন্ধু বললে ভুল হবে আসলে আমরা একে অপরের পরিপুরকভাবেই বেড়ে উঠছিলাম। সেই ছোট্ট বেলা থেকে কত মারামারি কত ঝগড়া আর কতই না মিলেমিশে আমরা আজকে এই পর্যন্ত এসেছিলাম।কোন কাজও আমাদের একসাথে ছাড়া করা হয়নি। ‍কিন্তু ভাইয়া আগে যদি জানতাম তুই আমাকে না বলেই ওপারটাতে চলে যাবি তবে সত্যিই মন থেকে বলছি তোর আগে আমিই চলে যেতাম। আসলেই যাওয়ার কথা হয়তো আমারি ছিল কিন্তু জোর করেই তুই মনে হয় আগে গেলি। লিখতে ভিসন কষ্ট হচ্ছে তবুও তুই যে আমার কি ছিলি তা সবাইকে জানাব বলেই লিখছি।

ভাইয়া তোর কি মনে আছে ঘটনার বেশ কিছুদিন আগেই তোর কিডনিতে একটা জটিল সমস্যা ধরা পরে? আর এতে বাবা মা আর আমি সহ সবাই যে কতটা চিন্তায় দিনগুলো কাটিয়েছিলাম। এলাকার লোকগুলো পর্যন্ত যারা তোকে দেখতে এসেছিল একবার না কেঁদে যায়নি। সবাই তোর বাচার এক রকমে আশাই ছেড়ে দিয়েছিলাম। তবে কেন সেবার না গিয়ে এভাবে না বলে এখন গেলি? শেষে ডাক্তার কি এক আশার বাণী দিয়েছিল মনে আছে? হ্যা সে বলেছিল যে তোকে যদি বিদেশে নিয়ে চিকিৎসা করানো হয় তবে তুই আবার আগের মতই ভাল হতে পারবি। কিন্তু চিকিৎসা খরচটা যে অনেক ছিল আমাদের মত পরিবারের জন্য প্রায় ১৫লক্ষ টাকা। এতটাকা কোথায় পাব? শেষে তুই বিছানার পাশে আমাকে ডেকে বললি তোর যেন চিকিৎসা করানো না হয়। সেই সময় আমার মনে হয় সময়টা বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু শেষে এমন এক বিচিত্র শুখ পাব তা কখনোই ভাবিনি। আশেপাশের লোকগুলো এত ভাল তা আমাদের পরিবারের কারোই জানা ছিলনা। কিভাবে যেন সমাজের প্রায় প্রতিটা মানুষই এগিয়ে আসতে লাগল। আমার বন্ধুরা তাদের ভার্সিটির ক্যাম্পাসে, বাবার অফিসের লোকজন যে যেভাবে পারে, এলাকার ধনীরা তাদের বিত্ত দিয়ে, গরিবেরা তাদের সবচেয়ে বড় সম্পদ দোয়া দিয়ে সাহায্য করতে লাগল। সবারই যেন একটিই উদ্দেশ্য তুই বাঁচবিই। আর এভাবেই তোর বাঁচার আলো যেটা প্রায় নিভু নিভু করছিল সেটা উজ্জল হতে লাগল। এভাবেই একটা সময় তোর চিকিৎসা করানো হল। এইতো মাত্র কদিন আগে (১০দিন) তুই না আমাদের মাঝে ফিরলি। আবার সবকিছুই ঠিকঠাক ভাবেই চলছিল। আব্বা আম্মা আমি সহ পরিবারের সবাই মাঝে এক যুদ্ধ জয়ের হাসি লেগেই ছিল।

আজ সকাল বেলা বাবা বাসার বিদ্যুৎ বিল জমা করবে বলে বাসা থেকে বের হওয়ার চিন্তা করছিল মাত্র। কিন্তু তোর আর আমার মধ্যে একরকমের যুদ্ধ শেষে তুই কাগজটা নিলি। যুদ্ধের কারন ছিল যে বিদ্যুৎ বিল জমা দিবে তার আজকে আম্মুর সাথে শপিংয়ে যেতে হবেনা। তার বদলে যে হেরেছে সেই যাবে আম্মুর সাথে। ঠিক আছে আমাদের দুই ভাইয়ের একটা অভ্যাস ভাল তা হল কথা দিয়ে একে অপরের কথা রাখা। তাই আমি আমার কথা রাখলাম বিরক্তিকর জিনিস শপিংয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলাম। আমি আর মা বের হওয়ার জন্য তৈরী হচ্ছিলাম তখনেই পাশের বাসার সাত্তার চাচা বাবাকে আলাদা করে নিয়ে কি যেন বলল। আর মনে হল বাবা তখনই অর্ধ মৃতের মত অবস্থা। কিছুক্ষন পর বাবা তার চিন্তা শক্তি ফিরে পেতেই সবাইকে বলল চলো। কোন প্রশ্ন না করেই ভয়ে ভয়ে আমরাও বাবার পিছু পিছু চলতে লাগলাম। এতটাই শংকিত ছিলাম যে একটা সময় মনে হতে শুরু করল এই পথে আমি অনন্তকাল ধরে হাটছি। কেন যেন পথ শেষ হতে চাইছেনা। হঠাৎ বাবা রাস্তার পাশেই নিয়ে গেলেন । দেখলাম রাস্তায় অনেক মানুষের ভিড়। কিন্তু ভিড় ঠেলে আমাদের যেতে হচ্ছেনা সবাই দেখলাম এমনিতেই যায়গা ছেড়ে দিচ্ছে। ভিড় ঠেলে শেষে যা দেখলাম তা ভোলার মত নয়। রাস্তার পাশে তোর এবড়ো থেবড়ো লাশটা পরে আছে। আর মনে হলো এখানটাতে রক্তের বন্যা বয়ে গেছে। কি একটা বিভৎস অবস্থা সময় যেন খানিকক্ষনের জন্য দ্রুত চলছিল। মা কিছুক্ষন পর পরই মূর্ছা যাচ্ছিল আর আমি যেন কোথায় হারিয়ে গেলাম। অনেকক্ষন বাদে বাবার কান্নার আওয়াজ শুনতে পেলাম। বাবা কাঁদছিল আর বলছিল, “ খোকা আমার এভাবে কেন গেলি? যাওয়ার কথা ছিল আজ আমার তুই কেন গেলি? এত আশা জাগিয়ে এতদিন পর এত কিছু জয় করে ফিরে এলি আর এখন ছোট্ট সময়ে কাওকে কিছু না বলে এভাবে চলে গেলি?” বাবার কথা শুনে মনে হতে লাগল ভাইয়া তোর তো যাওয়ার কথা ছিলনা। মনে মনে সকাল থেকেই আমি যাব বলেই ঠিক করে রেখেছিলাম। প্রতিদিনই তো ঝগড়াতে আমি জিতি। আজ জিতলে কি এমন হত? নিজের উপর নিজের প্রচন্ড ক্ষোভ হতে লাগল। ভাইয়া আজ তুই কেন এই খেলায় জিতে আমাকে এমন হার হারিয়ে দিলি? এই পরাজয় আমি মানবো না। আর এই রাস্তা তোকে বলি আর কত মানুষের জীবন নিলে তোর এই ক্ষুদা মিটবে? তোর এই ক্ষুদার শেষ কবে? তোর ক্ষুদা যে দিন দিন বাড়ছে এর জন্য দায়ী কারা? উত্তর গুলো আমার এখন আর এই মুহূর্তে দরকার। পারবি দিতে আমাকে?

উপরের ঘটনাটি আংশিক সত্য। আজকে আমার বাসার সামনে এক সড়ক দুর্ঘটনায় এমনি একটি ছেলের তাজা প্রাণ চলে গেছে। আমরা পত্র পত্রিকায় সবসময় সড়ক দুর্ঘটনা নামের খবর পড়তে পড়তে এখন খুব অভ্যস্ত হয়ে পরেছি। কিন্তু কখনো কি এভাবে ভেবে দেখেছি কি দুর্দশাই না ঘটে ভিকটিম পরিবারগুলোর? আজ তাই সাধারন একটি ঘটনা নিজের মত করেই লিখার চেষ্টা করেছি। কতটা সফল হয়েছি তা না হয় আপনাদের হাতেই ছেড়ে দিলাম।
ধন্যবাদ সবাইকে।