কিছুদিন যাবৎ ফেসবুকে দেয়া আমার কিছু স্টেটাস সমূহ।
মুখে
পুরো আস্ত একটা রণতরীর সাথে একাই ঘায়েল করা যায়। কিন্তু বাস্তব অস্বীকার
করার কোন উপায় নেই। অর্থাৎ ময়দানে যে যুদ্ধ করে সেই যোদ্ধ। ঠিক আমার বন্ধু
তালিকায় থাকা কয়েকজন এমনই ভাব ধরে যে তারা ভারত নামক বেইমান দেশটির আচরন
একদম সহ্য করতে পারেনা। কিন্তু এই মানুষগুলোকে গভীরভাবে কিছুদিন
পর্যবেক্ষনে রাখার পরে একটা আজব জিনিস লক্ষ করলাম। এদের ফেসবুক
স্টেটাসগুলোতে ব্যাপক মাত্রায় ভারতপ্রীতি দেখা যাচ্ছে। যেমনঃ একজন ইন্ডিয়ান
আইডলের শিল্পীদের আবেগে কেমন আবেগতাড়িত হয়েছে, কোন হিন্দি ছিনেমা আজকে
রিলিজ পেয়েছে, অলিম্পিকে কোন ভারতীয় কোন পুরুষ্কার পেয়েছে তার খবর ইত্যাদি।
অনেকের মতে এগুলো হচ্ছে নিত্যদিনের বিনোদনের খবর। কিন্তু আমি বলি
এদের মাঝে ভয়ঙ্কর ভারতপ্রীতি এরা সব সময় সুপ্ত রাখতে পারেনা। তারই
বহিপ্রকাশ তাদের এই সমস্ত লেখা। আরবীতে এই সকল লোকজনকে মোনাফেক বলে। আর
বাংলায় বলে বেইমান। আর ১৯৭১ সালের ভাষা অনুযায়ী এরা নব্য রাজাকার। এই সকল
রাজাকার ৭১-এর চাইতেও ভয়ানক বেশী।
(বি:দ্র: কেউ আমার লেখাকে ব্যাক্তি আক্রমন বললে ভুল সিদ্ধান্ত নিবেন। কারন সত্য বলতে কষ্ট পাইনি।)
ইন্ডিয়া
আমাদের বন্ধু দেশ। দেখেন এই বেইমান গুলার কাজ কারবার। এই লিংকে বাংলাদেশের
পক্ষে একটা কথা ভাল থাকলে নিজেকে অপরাধী বলে দাবি করব। আমাদের দেশের
বিপক্ষে জাল বুনার একটি নমুনা।
http://www.timesofassam.com/
category/international/
আসলেই
আমাদের দেশে আগে সমস্যা হয় তারপর সমাধান হয় না বরং সমাধানের পথ খোজাঁর
চেষ্টা করা হয়। তারপর সেই সমস্যা থেকে আগত উপসমস্যার যে সকল প্রতিরোধমুলক
পদক্ষেপ গ্রহন করা হয় সেগুলো বাস্তবায়ন করতে করতে অনেক সময় অতিবাহিত হয়ে
যায়। এতে করে শাসক শ্রেণীনামক ইতর প্রানীদের লাভ ঠিকই হয় কিন্তু ব্যপক
ক্ষতি হয় যারা এই দেশের মালিক অর্থাৎ জনগন। ঠিক এমনই একটি পদক্ষেপ যাকে
পাগলের কর্মকান্ড না বললে ভুল হবে তা হলো মেডিকেল ভর্তি বিষয়ে বাতুলের মত
সিদ্ধান্ত নেওয়া। আসলেই এতদিন আমাদের জনদুর্ভোগ দিয়ে কষ্ট দিয়েছে এখন
চিকিৎসাক্ষেত্র ধ্বংশ করার মহৎ পরিকল্পনার অংশ হলো এই ইতরামীয় সিদ্ধান্ত।
কারন এতে করে অখাদ্য+কুখাদ্য সব ঢুকার স্বাধীনতা পাবে। এদের মতই অযোগ্য হবে
আমাদের চিকিৎসাক্ষাত। আমার মনে হয় এটা ভিশন ২০২১ এরই অংশ। মাঝে মাঝে মন
চায় সালার স্বাধীনতার চাইতে পরাধীনতাই শ্রেয় ছিল কারন তাতে অন্যকে দোষারোপ
করার মানসিক শান্তি পাওয়া যেত। কিন্তু এখন কাকে কি বলব! চেয়ারে বসলেই সব
শালারা চোরের মুখোশ খুলে দেয়। ধন্যবাদ।
প্রচন্ডভাবে
এক অনুভূতি তাড়া করে বেরাচ্ছে মনে হয়। বিশ্বাস আমার সাথে ছলনা করছে মনে
হয়। একদম একটি অনু যায়গাতে তোমাকে পাথর চাপা দিয়ে রেখেছিলাম। অনন্ত সময় ধরে
পাথরের নিচে পিষ্ট আমার ধারনা শেষ হয়ে গিয়েছিলে তুমি। আজ হঠাৎ করেই কে যেন
পাথর সরাতে উন্মাদের মত হয়ে আবার আমার আবেগকে আলোরিত করলে তুমি। এই সুপ্ত
তোমার এই অসুরি শক্তি কোথা হতে এল! সারাটি সময় আবার আগের মতই একসাথে
কাটালাম আমরা। কত হাসি আর কত আনন্দে ছিলাম এই সময়গুলো। আমি যেন আবার এক
পরিবর্তিত অতিতে ফিরে গেছি। পরিবর্তন হয়ে গিয়েছে শুধু আগের কান্নাগুলো। তার
সৃত্মিও এখন মনে পরছে না। যেন এক বাস্তব অবাস্তবের আলো আধারের ধাঁধায়
পরেছিলাম। পরিবর্তনগুলো মস্তিস্কে টোকা দিয়েছিল ঠিকই কিন্তু সুখগুলোর সাথে
পেরে উঠেনি। হঠাৎ আচমকা ঘুম ভেঙ্গে গেল। সব কিছু বুঝতে খানিকটা সময় নিল।
বুঝলাম সবই। শুধু সপ্নময় তুমি আর বাস্তব তুমি মাঝে এক তফাৎ রয়ে গেল। এই
প্রথম বাস্তবকে অস্বীকার করতে চাইছি প্রবল ভাবে। মনে হচ্ছে আবার সেই
সপ্নটার কাছে ফিরে যাই। মানুষ হওয়াতে আটকা পরে রইলাম আমি। আবার এক বিসাল
পাথর চাপায় পরে রইলে তুমি।
কিছু
কিছু লোক। তাদের অদ্ভুদ আচরন দেখলে খুব খারাপ লাগে। এই সম্প্রদায়ের লোকজন
সাধারনত সরকারী দলের হয়ে থাকে। তোষামোদি করে ফায়দা লুটাই এদের স্বভাবের
অন্যতম বিশেষ দিক। যেহেতু আওয়ামিলীগ এখন ক্ষমতায় তাই স্বাভাবিক ভাবেই এখন
এই পক্ষকে নিয়েই এদের মাতামাতি। এমনি এক ব্লগারকে আমি দেখেছি। নাম বলব না।
এই লোকের সরকারের প্রতি আমি উদারতা দেখে খুবই মর্মাহত। এই লোক তার এক লেখায়
বলেছেন স্বাধীনতার পক্ষে হচ্ছে আওয়ামিলীগ এবং বাকি সবাই স্বাধীনতা
বিরোধি।সত্যিই সেলুকাস এমন চামচামি! এখন কথা হচ্ছে বর্তমানের সরকারের
কর্মকান্ড দেখে আমার আসলে স্বাধীনতার সংজ্ঞা নিয়ে সংশয় আসছে। আসলেই এরা্
যদি এখন স্বাধীনতার পক্ষে হয় তবে এটা কোন স্বাধীনতা? এত বির্সজন দিয়ে এই
দেশ কেনা হয়েছে কিন্তু দুটি রাজনৈতিক দলের কাছে আমরা কেন তবে পরাজিত হচ্ছি
বারবার? আসলে আমরা রাজনৈতিকদের কাছে পরাজিত হচ্ছি না বরং পরাজিত হচ্ছি
বারবার এই সব সুবিধাবাদী লোকদের কাছে যারা নিজের স্বার্থে সবার স্বার্থ
বির্সজন দিয়ে যাচ্ছে।
ধন্যবাদ।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন